রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
আফ্রিকায় টানা ভারী বৃষ্টিতে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক মানুষের মৃত্যু ফ্যাসিবাদের সময় যারা খুন-গুমের শিকার হয়েছেন তাদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেব না: তারেক রহমান কেরানীগঞ্জে মা-মেয়ে খুন: ঋণের কিস্তি নিয়ে বিরোধে হত্যাকাণ্ডের পর ২১ দিন লাশ দুটি ফ্ল্যাটে রেখে বসবাস “মাদক ধরলেই আপনি বাধা দেন” কেরানীগঞ্জে বিএনপি নেতার সঙ্গে ডিবি পুলিশের বাকবিতণ্ডা দেশে ব্যবহৃত পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তনের কথা জানাল ইসি মেক্সিকো ও দক্ষিণ আমেরিকার আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা জারি প্রার্থিতা ফিরে পেতে অষ্টম দিনের আপিল শুনানি চলছে পাকিস্তানে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক খালে, একই পরিবারের ১৪ জন নিহত

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশ

ছবি : সংগৃহীত

অনলাইন ডেস্ক:: যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা বন্ড তালিকায় বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড বা জামানত জমা দিতে হতে পারে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ৬ জানুয়ারি ভিসা বন্ডের আওতাভুক্ত দেশগুলোর হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করে। নতুন তালিকায় বাংলাদেশসহ মোট ৩৮টি দেশ রয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই নিয়ম ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

নিয়ম অনুযায়ী, ভিসার জন্য যোগ্য বিবেচিত হলেও কনস্যুলার কর্মকর্তা চাইলে আবেদনকারীর ওপর ৫ হাজার, ১০ হাজার বা ১৫ হাজার ডলারের বন্ড আরোপ করতে পারবেন। আবেদনকারীর ব্যক্তিগত অবস্থা ও সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এই অঙ্ক নির্ধারণ করা হবে। বন্ডের টাকা যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম Pay.gov-এর মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, এই বন্ড একটি ফেরতযোগ্য জামানত। ভিসাধারী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করলে, ভিসা পেয়েও ভ্রমণ না করলে বা বিমানবন্দরে প্রবেশে বাধা পেলে এই টাকা ফেরত পাওয়া যাবে। তবে কেউ যদি নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান করেন বা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে স্ট্যাটাস পরিবর্তনের আবেদন করেন, তাহলে বন্ডের অর্থ বাজেয়াপ্ত হবে।

এ ছাড়া ভিসা বন্ড প্রদানকারী বাংলাদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট করা হয়েছে তিনটি বিমানবন্দর- বোস্টন লোগান, নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (JFK) এবং ওয়াশিংটন ডুলস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এই পথ ছাড়া অন্য পথে প্রবেশ করলে বন্ডের শর্ত ভঙ্গের ঝুঁকি থাকবে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই পাইলট কর্মসূচির লক্ষ্য হলো ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যারা অবৈধভাবে থেকে যান, তাদের নিরুৎসাহিত করা। এর ফলে বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন ভিসা পাওয়া আরও ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com